Add to favourites
News Local and Global in your language
19th of October 2018

International



রোহিঙ্গা ফেরানোর ব্যর্থতায় বাংলাদেশকে দুষলেন সু চি

মিয়ানমার থেকে সামরিক অভিযানের মুখে পালিয়ে আসা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনে ব্যর্থতার জন্য বাংলাদেশকে দায়ী করেছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি।

ভিয়েতনামের হ্যানয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও জানুয়ারিতে এই প্রক্রিয়া শুরু করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত ছিল না।

তিনি আরও বলেন, রাখাইনে যেভাবে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়েছে, এখন ভাবলে মনে হয় তা হয়তো ভিন্নভাবে সামাল দেয়া যেতো।

গত বছরের অগাস্ট মাসে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান শুরুর পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তারা গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন।

আরো পড়তে পারেন:

'গণহত্যায় দায়ী' ছয় জেনারেল, সু চি ছিলেন নিশ্চুপ

সু চি কি রোহিঙ্গা গণহত্যায় অভিযুক্ত হতে পারেন?

রোহিঙ্গা সংকট: 'সু চি'র পদত্যাগ করা উচিত ছিলো'

চলতি বছরের জানুয়ারিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের একটি সমঝোতা হলেও এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি হয়নি।

জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থার কর্মীরা বলছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি। এক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলেও বলেছেন কর্মকর্তারা।

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর বার্মিজ সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশকারী দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে অং সান সু চি বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য নয়, বরং আইন ভঙ্গ করার জন্য তাদের শাস্তি হয়েছে।

অং সান সু চি মিয়ানমারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নন, কিন্তু তাকেই দেশটিতে ক্ষমতার অধিকারী বলে মনে করা হয়। রোহিঙ্গা ইস্যু এবং দুই সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেয়ার বিষয়ে তাঁর বক্তব্য চেয়ে বিশ্বব্যাপী দাবি ওঠে।

বৃহস্পতিবার সেই নীরবতা ভেঙ্গে অং সান সু চি এই বক্তব্য দিলেন।

এ সপ্তাহেই জাতিসংঘের একটি সংস্থা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে দেশটি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।

অং সান সু চির এসব বক্তব্যের জবাবে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, তিনি সবকিছুই ভুল বুঝেছেন।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তদন্ত করা উচিত বলে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ওই রিপোর্টে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন দাসত্ব এবং দাসত্বে বাধ্য করার বর্ণনা করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে এসবের সঙ্গে সেখানে নিরাপত্তা হুমকির কোন সম্পর্ক নেই।

তবে জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি মিয়ানমারের নেত্রী।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

আলিবাবা'র জ্যাক মা সম্পর্কে পাঁচটি তথ্য

আইফোন ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ডিসপ্লে নিয়ে নতুন সেট

হিন্দুদের পশুপাখি বলি নিষিদ্ধ করছে শ্রীলঙ্কা

'হাজার শিশুকে নির্যাতন' করেছেন জার্মান যাজকরা

Read More




Leave A Comment

More News

BBCBangla.com |

বিশ্ব -

AL JAZEERA ENGLISH (AJE)

China Post Online -

bdnews24.com - Home

BBC News - Asia

FOX News

www.washingtontimes.com

Breitbart News

Reuters: World News

Disclaimer and Notice:WorldProNews.com is not the owner of these news or any information published on this site.